মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধার মেয়ে ফারহানা রহমান মিষ্টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জেলার সুনাম ছড়িয়ে দিয়েছেন। সাহিত্য ও সৃজনশীলতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি অর্জন করেছেন ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ ও ফেলোশিপ।
গত ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার অডিটোরিয়ামে ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়ন বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনার শেষে বিভিন্ন দেশের ভাষা, সাহিত্য, গবেষণা, শিক্ষা, কৃষি, দর্শন, পারফরমিং আর্টস ও সৃজনশীল শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৫০ জন গুণী ব্যক্তিকে এই আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড ও ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নির্বাচিতদের একজন হলেন গাইবান্ধার ফারহানা রহমান মিষ্টি।
‘ইমপ্যাক্ট অব ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার অন ইনরিচিং মাইন্ডস অ্যান্ড ইন্সপায়ারিং লাইভস’ শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল মাজিদ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নেছার ইউ আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্যে আইসিএএলডিআরসি’র মহাসচিব প্রফেসর লুৎফর রহমান জয় বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী ও সৃজনশীল মানুষদের একত্র করে একটি বৈশ্বিক গবেষণা ও সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক কী-নোট পেপার উপস্থাপন করেন।
ফারহানা রহমান মিষ্টি বর্তমানে ফুলছড়ি সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের জুমারবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা প্রয়াত আব্দুল হক মুকুল।
ফারহানা রহমান মিষ্টি জানান, ডিবিসি চ্যানেলে আইসিএএলডিআরসি’র মহাসচিব প্রফেসর লুৎফর রহমান জয়ের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তিনি এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে অবগত হন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম, প্রবন্ধ ও গ্রন্থ উপস্থাপন করেন।
মেডেল, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট গ্রহণের পর ফারহানা রহমান মিষ্টি বলেন, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাঁর সাহিত্যচর্চাকে আরও সৃজনশীল ও গতিশীল করে তুলবে।
Leave a Reply