নেত্রকোনা প্রতিনিধি—-
কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পাইকুড়া বাজারে সরকারি ১নং খতিয়ানভুক্ত খাস জমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বন্দোবস্ত ও বার্ষিক খাজনার রশিদের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে পাইকুড়া বাজারের সরকারি বাজার ভূমির জমিতে ঘর নিজেদের দখলীয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করছে। শর্ত পরবর্তীতে ভুমি আফিস থেকে মালিকানা পারিবর্তন করে দেওয়া হবে। ক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতি শতক ২ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়ে শুধুমাত্র খাজনা পরিশোধের রশিদ ফটোকপি দেখিয়ে, কোনো প্রকার রেজিস্ট্রি দলিল দেওয়া হচ্ছে না।
পাইকুড়া বাজারের একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “আমরা রশিদ দেখে জমি কিনেছি। এখন জানতে পেরেছি এই কাগজে জমির মালিকানা টিকে না। আমাদের টাকা এবং ভবিষ্যৎ দুটোই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।”
আইনজীবীরা বলছেন, ১নং খতিয়ানের জমি সরকারি সম্পত্তি। এ জমি সরকার ছাড়া অন্য কেউ বিক্রি করতে পারে না। খাজনা রশিদ বা দখল রশিদ কখনোই মালিকানার প্রমাণ নয়। এভাবে জমি বিক্রি করা প্রতারণার শামিল এবং আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সুত্র জানাযায়, “পাইকুড়া বাজারের জমিসহ সকল ১নং খতিয়ানের জমি সরকারের। কেউ যদি রশিদ দেখিয়ে বিক্রি করে থাকে তবে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা সরেজমিন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”
এই ঘটনায় অভিযোগ উঠায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন পাইকুড়া ইউনিয়নের সচেতন মহল। তারা অবিলম্বে তদন্ত করে প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply