1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাদকমুক্ত পানছড়ি গড়তে মাঠে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও যুব সমিতি বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ -খ্রিষ্টান কল্যান ফ্রন্ট ময়মনসিংহ দঃ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন পাঁচবিবির বাগজানায় জগন্নাথের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় ভক্তদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত হলো পবিত্র উল্টো রথযাত্রা সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগে উত্তপ্ত শ্যামনগর, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিশ্ব কবিতা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে এক অনন্য আন্তর্জাতিক সাহিত্যোৎসব উদযাপন রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ওসমানের পাড়ার যুবকদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল শাহীন মন্ডল লোকালয়ে বানরের উপদ্রব, সীমান্ত পেরিয়ে আসার ধারণা !

ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন
আরো‌ ২টি ড্রেজিং মেশিন এনে দূরুত্ব পলি তুলে ‌জরুরী ভিত্তিতে পলি অপসারণ নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার।
অতিবৃষ্টি এবং হরিভদ্র নদীর নাব্যতা হ্রাসের ফলে খুলনা ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের ডোমরা বিলে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। বিলে পানি আটকে থইথই অবস্থা তৈরি হওয়ায় তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও শত শত মৎস্য ঘের, ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা।

২৪ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় খর্নিয়া ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন ও উদ্ধার টিমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে পাওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে নির্মিত পূর্ণাঙ্গ নিউজ প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলো:

জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার বলেন:
“অতিবৃষ্টি এবং স্থানীয় হরিভদ্র নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে ডোমরা বিলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাঁধ বা পলি অপসারণ করে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করছি। দুর্গত মানুষদের সার্বিক সহায়তা প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও উদ্ধার প্রস্তুতি শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আবু তাহের বলেন:

“আমরা জলাবদ্ধ বিলের সামগ্রিক চিত্র পরিদর্শন করেছি। পানি নিষ্কাশনের মূল বাধাগুলো চিহ্নিত করার কাজ চলছে। স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগ কমাতে এবং জরুরি যেকোনো সহায়তা প্রদান করতে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করে যাচ্ছে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত পানি সরানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মোল্লা আবুল কাশেম বলেন:
“দীর্ঘদিন ধরে হরিভদ্র নদী ভরাট হয়ে পড়ে থাকলেও টেকসই কোনো পলি অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই খর্নিয়া ও ডোমরা বিলের মানুষ পানির নিচে তলিয়ে যায়। আজ হাজার হাজার বিঘার ফসল ও মৎস্য ঘের পানির নিচে। আমরা অনতিব্লিমে টেকসই নদী খনন ও পাম্প বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের জোর দাবি জানাচ্ছি।”

উন্নয়ন ও সমাধান ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে বিল কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন:

“ডোমরা বিলের জলাবদ্ধতা এখন কেবল সাময়িক সমস্যা নয়, এটি হাজারো পরিবারের জীবন-জীবিকার জন্য স্থায়ী হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিলের পানি অপসারণে যদি এখনই ইমার্জেন্সি ড্রেনেজ ও পাম্পিং স্টেশন চালু করা না হয়, তবে চলতি মৌসুমের পুরো কৃষি ও মৎস্য খাত বরবাদ হয়ে যাবে। আমরা প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

জলে ভাসমান অসহায় দিন কাটানো স্থানীয় এলাকাবাসীরা তাদের দুর্ভোগ প্রকাশ করে বলেন:

“আমাদের ঘরবাড়ি, ঘের আর ধানের জমি সব পানির নিচে। রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতেও কষ্ট হচ্ছে। খর্নিয়ার ডোমরা বিলে প্রতি বছরই এই একই ভোগান্তি পোহাতে হয়। হরিভদ্র নদী খনন না করলে এবং দ্রুত স্লুইস গেট দিয়ে পানি বের করার ব্যবস্থা না করলে আমাদের না খেয়ে দিন কাটাতে হবে।”
ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ডোমরা বিলের জলাবদ্ধতা সংকট দূর করতে অবিলম্বে হরিভদ্র নদীর ক্যাপিটাল ড্রেজিং (খনন) ও স্থায়ী স্লুইস গেট ব্যবস্থাপনা সংস্কার জরুরি। সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ না করলে খুলনার এই অন্যতম কৃষিপ্রধান অঞ্চলটির অর্থনীতি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ