1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পটপরিবর্তনেও অক্ষত আওয়ামী সিন্ডিকেট: ডেমরায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিখিল-রেজার ঘনিষ্ঠ খন্দকার পরিবার কুড়িগ্রামে ব্রাজিলের কাছে আর্জেন্টিনা হার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুক্তিজোটের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ মৎস্যজীবীদের হামলা-বঞ্চিত করে বিল ভাতিয়া দখলের অভিযোগ, অবৈধ বাঁধের কারনে শঙ্কায় হাজারো কৃষক ডুমুরিয়ার চুকনগরে আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা টুর্নামেন্ট: দেশ-বিদেশের তারকাদের মিলনমেলা ও‌পুরস্কার বিতারণ‌ মনোহরদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে ডেমরায় আ’লীগ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনেও সক্রিয় সেই খন্দকার সিন্ডিকেট আমতলীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গোল্ডমার্ক পপস্ গ্রুপের নর্থ জোনের মাসিক সেলস মিটিং অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদ গাইবান্ধার সাঘাটায় এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষনের শিকার, আটক ৩

ডেমরায় আ’লীগ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনেও সক্রিয় সেই খন্দকার সিন্ডিকেট

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে এবং প্রভাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে গড়ে ওঠা একটি বিশেষ সিন্ডিকেট এখনো রাজধানীর ৬৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপন এবং ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সজল মোল্লার মতো শীর্ষ নেতাদের ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবে পরিচিত কাজী মফিজ ও তার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যরা এলাকায় এখনো তাদের তৎপরতা বজায় রেখেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ‘ভাতিজা’ পরিচয় দিয়ে ঢাকা মহানগর ও স্থানীয় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন কাজী মফিজ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিখিলের নাম ভাঙিয়ে কাজী মফিজ বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট মহলে জোর গুঞ্জন রয়েছে, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নিখিলের রেখে যাওয়া বিপুল অঙ্কের অর্থ বর্তমানে কাজী মফিজের হেফাজতেই রয়েছে।

কাজী মফিজের এই সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন তার আপন শ্যালক ও যুবলীগ নেতা বিপ্লব খন্দকার। তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিগত ১৫ বছর ধরে এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির একচেটিয়া ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন, যা এখনো চলমান। বিগত দেড় দশক ধরে সরাসরি আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করা এই বিপ্লব খন্দকার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কোনো প্রকার জবাবদিহিতা ছাড়াই এলাকায় বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপনের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে মিলন খন্দকার ওরফে ‘ময়লা মিলন’-এর ছেলে রায়হান খন্দকার। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ব্যানারে এবং ৬৮ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে রায়হান খন্দকারকে অতীতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক মিছিলে সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপনের ছবি ও নাম ব্যবহার করে এলাকায় বহুবার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের মতো কর্মকাণ্ডেও অংশ নেন রায়হান। স্থানীয়দের মতে, এটি মূলত তাদের রাজনৈতিক প্রভাব টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল।

সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তারের অংশ হিসেবে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার সাথেও এই পরিবারের সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজাকে ফুলেল তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ৬৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি আরাফাত খন্দকার। এছাড়া, ময়লা মিলনের আরেক ছেলে জামশেদ খন্দকার ডেমরা থানা ছাত্রলীগ নেতা এবং শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের ডেমরা থানা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা রসিকতা করে বলেন, “সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু খন্দকার পরিবার সব সময় সরকারেই থেকে যায়।”

​গত ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,​”সরকারের পটপরিবর্তন হলেও এই খন্দকার পরিবারের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারা অতীতে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অর্থ কামিয়েছে, আর এখন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বহাল তবিয়তে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

সাবেক এমপি সজল মোল্লা, নিখিল, রেজা এবং রিপনের মতো ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে কাজী মফিজ, বিপ্লব খন্দকার, রায়হান খন্দকার, জামশেদ খন্দকার এবং আরাফাত খন্দকাররা এখনো এলাকায় সমানভাবে সক্রিয়। স্থানীয়দের জোরালো দাবি, বিগত দেড় দশকের এই রাজনৈতিক সুবিধাভোগী এবং অবৈধ অর্থ উপার্জন ও আত্মসাতের সাথে জড়িত চক্রটির আয়ের উৎস এবং বর্তমান কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ