সমাজপতি নিয়ত নানা কারণে নারীদের উপর নির্যাতনের খবর সামনে এলেও এবার এক উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে রাজধানী ও এর পার্শ্ববর্তী জেলা ফতুল্লা ভক্তবুলী এলাকায় স্ত্রী শাশুড়ি এবং স্ত্রীর পরকীয়ার প্রেমিকের ধারাবাহিক প্রতারণা অলংকার অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশি হামলার শিকার হয়েছেন মোঃ সোহেল (৩২) নামে এক যুবক শুধু শারীরিক নির্যাতন নয় বাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে জোরপূর্বক নষ্ট করা হয়েছে তার গর্ভের সন্তান ও ভুক্তভোগী ও দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় প্রায় দুই বছর আগে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তাহাসসিন মালিহার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সোহেল তবে বিয়ের সময় সুকৌশলে গোপন রাখা হয় তাহাসিন মালিহার আগের দিয়ে ও একটি সন্তান থাকার বিষয়টি বিয়ের পর থেকেই সোহেলকে ঘরজামাই থাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন তার শাশুড়ি ইয়াসমিন আক্তার আলপনা এবং প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন এর মধ্যেই সোহেল জানতে পারেন তার স্ত্রী তাহাসসিন মালিহার আবির নামে এক যুবকের সাথে দীর্ঘদিনের পরকীয়া লিপ্ত খোজ নিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত আবির ফতুল্লা ভক্তবলীর এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ধর্ষণসহ ১৪ টি মামলা রয়েছে অভিযোগ আর ও বলা হয় পরকীয়ার প্রতিবাদ করার এবং আলাদা বাসা নিয়ে থাকার চেষ্টা করার সোহেলের উপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতন তার কষ্টাজিত ৫ ভরি স্বর্ণ অলংকার ও ব্যবসার নগর ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় অভিযুক্তরা এক পর্যায়ে সোহেলের স্ত্রী গর্ভবতী হলে শাশুড়ি ইয়াসমিন আক্তারের প্ররোচনায় সোহেলের অমতে জোরপূর্ব গর্বের সন্তান নষ্ট করা হয় সন্তান হত্যার ও প্রতারণায় প্রতিবাদ করায় সোহেলের উপর রাজধানী যাত্রাবাড়ী সুত্রাপুর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এবং কি নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা এলাকায় দফায় দফায় দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালায় আবির শামীম আবুল হোসেন একদল ভাড়াটে সন্ত্রাসী প্রতিবারই গুরুতর যখন হয়ে সোহেল সংশ্লিষ্ট থানায় গুলোতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বর্তমান ফতুল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এ এস আই মিজান যাত্রা বাড়িতে এসআই মেহেদী এবং সুত্রাপুর থানায় এসআই সুফল অধীনে তদন্ত চলমান থাকলেও এখনো কোনো দৃশ্যমান আইনি অগ্রগতি বা আসামি গ্রেফতার না হওয়ার চরম নিরাপত্তাহীন তাই ভুগছেন ভুক্তভোগী সোহেল তিনি এই বর্বর চক্রের হাত থেকে বাঁচতে এবং সুনির্দিষ্ট বিচারের দাবিতে সরকারের উর্ধ্বতন মহল ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে
Leave a Reply