কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
(৩ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিবছরের মতো এবারও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক পরিচ্ছন্ন সাংবাদিক নেতা জিএম মাহাফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে এবং নুরুল আলম কোম্পানির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা গোল্ডেন এ ওয়ার্ড ফাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রিয় নেতা জনাব মোঃ নুরুল আলম কোম্পানি , জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক লোহাগাড়া উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট সাংবাদিক জগতের আইকন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক কামরুল ইসলাম , মুস্তাফিজুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সালাউদ্দিন আহমেদ , লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সদস্য সচিব দিদার এলাহী,লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ নুর আমিরাবাদ ইউনিয়নের ১নাম্বার ওয়ার্ডের সাম্বাভ মেম্বার পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম, সাতকানিয়া উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি মামুনুর রশিদ (মামুন) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, সাতকানিয়া উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাবেক সভাপতি আজম উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ও বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলেন— ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা’।
দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে তথ্য র্যালি ও মানবন্ধন ,আলোচনা সভা ও নুরুল আলম কোম্পানির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ৯টায় কেরানীরহাট অস্থ মাহাফিল রেস্টুরেন্টে থেকে তথ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় কেরানীরহাট হাইওয়ে সড়কে মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষ থেকেও দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ ৩ মে-কে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটির লক্ষ্য হলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়গুলো তুলে ধরা। একইসঙ্গে স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা রক্ষা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ এবং দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো সাংবাদিকদের স্মরণ করা হয় এ দিনে।
বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়
Leave a Reply