1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খুলনার কর কর্মকর্তা মোঃ নেফাউল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ১০কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বীরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী পৌর শাখার উদ্যোগে বিশিষ্টজনদের নিয়ে ইফতার মাহফিল দৌলতপুর ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভায় মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি- মোঃ শাহিনুল ইসলাম পাঁচবিবি উপজেলা ও পৌর পেশাজীবী পরিষদের ইফতার মাহফিল বীরগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে দু’জনের কারাদণ্ড পাঁচবিবিতে ব্র্যাক কর্তৃক গবাদি প্রাণীর বীমাদাবির অর্থ প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে গণমাধ্যমকর্মীর সম্মানে ইফতার মাহফিল সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যে জাতীয় জোট এ্যাবজা পুনর্গঠনের উদ্যোগ শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুই অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ খুলনার ডুমুরিয়াকে জিরো কমপ্লেইন থানায় রূপান্তরের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাগো নারী ফাউন্ডেশনের মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

খুলনার কর কর্মকর্তা মোঃ নেফাউল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ১০কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বরিশালের সাবেক উপ-কর কমিশনার মোঃ নেফাউল
ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে দশ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার
অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডাঃ এনামুল হক নামে এক ব্যক্তি এনবিআরের
চেয়ারম্যানের নিকট এই লিখিত অভিযোগ দেন ।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,৩৩ ব্যাচের উপ- কর
কমিশনার মোঃ নেফাউল ইসলাম সরকার সরকারি রাজস্ব আদায়ের টার্গেট নয় তিনি নিজের জন্য ডাক্তার ও
ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ভয়ংকর পদ্ধতি অবলম্বন করে ঘুষ নিতেন।বরিশাল কর অঞ্চলে কর্মরত থাকা কালিন সময়ে মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে কর আদায়ের নামে ঘুষ
নেয়া ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। বরিশালের একজন করদাতা মোঃ জহিরুল ইসলাম উপ-কর কমিশনার নেফাউল ইসলামকে নিয়ে একটি কবিতাও লিখে ছিলেন। কবিতার শিরোনাম ছিল “কষ্ট করিয়া আমি
আয় করি,ধনি হয় নেফাউল”। কবিতার শিরোনামেই প্রকাশ পেয়েছিল নেফাউলের ভয়ংকর দুর্নীতির চিত্র।
ডাঃ এনামুল হকের দেয়া লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে,ঝালকাঠির মেসার্স জাবেদ ফ্লাওয়ার মিলসটির ফাইল ছিল বরিশাল সার্কেল -১(কোম্পানীজ) এ |
২০১৬-২০১৭ করবর্ষ থেকে ছয় বছরের ব্যাংক তল্লাশি
দিয়ে ১৬০০ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা পাওয়া যায়।
ব্যাংকে কিভাবে এত টাকা জমা হলে৷ এবং নাম মাত্র কর দিয়ে কিভাবে রেহাই পেল যা তদন্ত করলে সকল গোমড় ফাঁস হবে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।নাম মাত্র করধার্য্য করার কারনে এই মিল মালিক থেকে উপ কর কমিশনার মোঃ নেফাউল ইসলাম নিয়েছেন ঘুষ হিসেবে
দশ কোটি টাকা। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে বরিশালের আরিফ
মেমোরিয়াল ক্লিনিক এর নজরুল ইসলাম,নাসরিন জাহান ও আরিফ মেমো রিয়াল ক্লিনিক এন্ড হসপিটাল নামের এই
তিনটি ফাইলের ব্যাপারেও পরীক্ষা করার আবেদন করা
হয়। নেফাউল ইসলাম সরকার বরিশালে থাকা কালিন সময়ে ডাক্তার ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। করদাতাদের কাছে আতংকের এক নাম উপ- কর কমিশনার মোঃ
নেফাউল ইসলাম সরকার। তার কাছে করদাতার ফাইল
মানেই মোটা অংকের ঘুষ। তিনি যেসব স্থানে কর্মরত
ছিলেন সেসব স্থানের সকল ফাইল পরিক্ষা-নীরিক্ষা ও
নেফাউল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন জানানো হয়। মোঃ
নেফাউল ইসলাম সরকার ২০১৪ সালে সহকারি কর
কমিশার পদে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল -৩ এ যোগদান করেন। তিনি বরিশালে কর্মরত ছিলেন সার্কেল -৮,৯ সহ বিভিন্ন সার্কেলে।বরিশালে তিনি কর বিভাগে ঘুষের রাজত্ব কায়েম
করেছিলেন।
বরিশাল থেকে তাকে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর ঢাকা কর
অঞ্চল -১৫ তে বদলী করা হয়। ঢাকায় কর অঞ্চল ১৫ এর অধীনে সার্কেল ৩১৬, ৩১০ (কোম্পানীজ) তে কর্মরত থাকাকালীন ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রোষানলের শিকার হয়েছেন।তিনি কর কর্মকর্তাদের এক নেতা ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পদত্যাগও করেছেন।তিনি রাজস্ব আদায়ের থেকে
নিজের সহায় সম্পদ বাড়াতে ঘুষের জন্য ছিলেন
বেপরোয়া। তাকে ঢাকা থেকে খুলনায় বদলী করা হয়েছে। খুলনা কর কমিশনার কার্যালয়ের অধীনে সার্কেল -১(কোম্পানীজ),সার্কেল -৮ (খুলনা সদর) এ উপ কর
কমিশনার পদে কর্মরত রয়েছেন।
এনবিআর বিলুপ্ত করে মে মাসে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব
ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ জারির পর শুরু হওয়া আন্দোলনের
অন্যতম নায়ক ছিলেন নেফাউল ইসলাম সরকার।
অধ্যাদেশ জারির পরে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন নেফাউল ইসলামসহ বিতর্কিত কর্মকর্তারা। অনেককেই বাধ্যতামুলক অবসর দেয়া হলেও নেফাউলের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা। নেফাউলের বিরুদ্ধে
তখন সরকার বিরোধী আন্দোলনে জনমত গঠনেরও অভিযোগ উঠেছিল। এনবিআর চেয়ারম্যানের পদত্যাগের
দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনের নেপথ্যের নায়ক ছিলেন এ নেফাউল ইসলাম সরকার।তিনি কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসুচীর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন
নেফাউল ইসলাম সরকারকে নিয়ে বরিশালের সাংস্কৃতিক
ব্যক্তিত্ব মোঃ জহিরুল ইসলাম তার ফেসবুকে একটি লেখা প্রকাশ করেন। লেখাটি হুবহু দেয়া হল-
কষ্ট করিয়া আমি আয় করি
ধনি হয় নেফাউল।
২০২৩ সালে বরিশালের আয়কর বিভাগের এই লোকের ঘুষ নির্যাতনের শিকার হয়ে ক্ষোভ, রাগ, দুঃখ ও অসহায়ত্ব নিয়ে এই ছড়াটি লেখা হয়েছিল। সোহেল এর ছড়া এবং
কবিতা: আয়কর নোটিশ ২০২৩ তখন বরিশালে অগনিত লোক এর ঘুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলো। পরবর্তী
নির্যাতনের ভয়ে কেউই মুখ খোলেনি। আমাদের কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছে। ঘুষ দেইনি বলে কল্পিত আয় ধরে যেই আয়কর ধার্য করেছিলো, সেটা পরিশোধ করতে ব্যংক লোন নিতে হয়েছে। আয়কর বিভাগের উপরে,ঘুষখোরের উপরে ঘৃন্না ধরে গিয়েছিলো। তৎকালীন চেয়ারম্যন
রহমাতুল মোমেনিনও এসব এড়িয়ে গেছে। জানিনা এদের বিচার হবে কিনা। তবে শিক্ষিত এসব কুলাঙ্গার দেশের জন্য সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকর। এদের বিচার না হলে সাধারন মানুষকে বাধ্য হয়ে অনিয়ম করতে হয়। দৃষ্টান্তমুলক বিচার হোক
এদের, বৈষম্যহীন হোক আয়কর আইন, ঘুষখোরহীন ও জনবান্ধব হোক রাজস্ব বিভাগ ।
মোঃ নেফাউল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে তার মোবাইলে ফোন করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া
গেছে।ফলে তার বক্তব্য গ্রহন করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ