আমি মোঃ মামুনুর রশিদ, চেয়ারম্যান, ১ নং ধানিখলা ইউনিয়ন পরিষদ, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি:
এই মর্মে প্রতিবাদ করিতেছি যে- আমি মারা যাইনি যে আমার স্বাক্ষর জাল করে ধানীখোলা ইউপির আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হইবে। আমি নিজেই ধানিখোলা ইউপির প্রত্যাহিক আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। গত ০২ /০৩/২০২৬ইং তারিখে মোঃ আশিকুর রহমান খাঁন নামের ফেইসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেইজ হতে সম্পূর্ণ অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হয়েছে।যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে আমাকে সম্মানহানি করা সহ ও ধানিখোলা ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমি দৃঢ়তার সহিত বলিতেছি যে – ধানীখোলা ইউপির সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম বিধি মুতাবেক আমার স্বাক্ষের পরিচালিত হচ্ছে। যতক্ষণ আমি দায়িত্বে আছি ঠিক ততক্ষণ সকল কার্যক্রম একই রূপে বিধি মুতাবেক পরিচালিত হইবে। কাজেই স্বাক্ষর জাল করার কোন প্রশ্নই আসেনা। ইতিপূর্বে এই মোহাম্মদ আশিকুর রহমান খানের বিরুদ্ধে এহেন মিথ্যা ও বানোয়াত কর্মকাণ্ডের জন্য পরিষদের পক্ষ হতে মোকাদ্দমা হয়েছিল যা চলমান রহিয়াছে। তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনে নাম ভাঙিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কাজে অনৈতিক হস্তক্ষেপ, বল প্রয়োগ ও হুমকি দেওয়ার প্রেক্ষিতে উক্ত মোহাম্মদ আশিকুর রহমান খানের বিরুদ্ধে গত ১১ /০৯ /২০২৫ ইং তারিখে ত্রিশাল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়,যাহার নম্বর ৭৯১।
প্রসঙ্গত ২০২৫ -২৬ ইং অর্থসনের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা প্রথম পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রাস্তা ঢালাই ও উন্নয়ন (দরজা জানালা) ” নামে একটি প্রকল্প গৃহীত হয়। যাহার বরাদ্দমূল্য ৩ লক্ষ টাকা। প্রকল্প সভাপতি সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোছাম্মত তাসলিমা আক্তার এবং প্রকল্প সেক্রেটারি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের আংশিক কাজ স্বরূপ কেবলমাত্র পরিষদ চত্বরে রাস্তা ঢালাই কোনমতে সম্পূর্ণ হয়েছে। সব মিলিয়ে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। যা প্রকল্পের বরাদ্দ কাজের অনুপাতে কাজের মান মোটেও সন্তোষজনক নহে। অবশিষ্ট অর্থায়নে পরিষদের দরজা জানালা মেরামত কাজ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও সেক্রেটারিকে অফিস সহকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে বলা হলে তাহারা কাজ না করে দুই মাস যাবত নানাবিধ তালবাহানা করে যাচ্ছেন।এমনকি কাজের সময় খোলা পরিষোধের মূল ফটোকের গেইট অদ্যবধি লাগানো হয়নি। তথ্ প্রেক্ষিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজের বিষয়ে আমি ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা তাদেরকে সতর্ক করে কথা বলি। যে কারণে নিজের অপরাধ আড়াল করে জনগণের কাছে নিজেকে ভালো সাজাতে সে অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে আমি সহ ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও অপর কয়েকজন সদস্যকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যসম্বলিত একই বিবরণের পরপর দুটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ বরাবরে দায়ের করেন। গত ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে ২২ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর আগ পর্যন্ত সুন্দর সুশৃংখল পরিবেশে ধানীখোলা ইউপি পরিষদ পরিচালিত হয়ে আসছে। ২২ ই ফেব্রুয়ারির পর ইউপি পরিষদের কাজের ব্যাপারে বলার কারণে ধানীখোলা ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট বয়ান লিখে অভিযোগ আনায়ন করিয়া এহেন পরিবেশের সৃষ্টি করেছেন। প্রসঙ্গত অভিযোগকারী সকল সদস্যই চলতি অর্থবছরে সকল বরাদ্দের পৃথক পৃথক প্রকল্প সভাপতি রয়েছেন। তাহারাও একই উদ্দেশ্যে কাজ করেছেন। পরিশোধ সদস্য হিসাবে আমাদের সকলকে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও মতের ঊর্ধ্বে থেকে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। আমি আশা করি খুব দ্রুতই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে এহত বিষয়ে স্পষ্ট করবেন।
ধন্যবাদ সকলকে
মোঃ মামুনুর রশীদ সোহেল
চেয়ারম্যান, ১নং ধানীখোলা ইউনিয়ন পরিষদ
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
Leave a Reply