1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভূমিদস্যুদের হামলা-মামলার প্রতিবাদে বীরগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসানিক সার বিতরণ, ভুয়া ডিবি পুলিশ বাহিনী,সাজিয়ে সুলতান বেপরোয়া রামু থেকে ইসলামপুরে পাচারের পথে ১৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ২ জন ডাকাত আটক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আটক প্রতিবন্ধী সাব্বিরের মুখে হাসি: ডুমুরিয়ায় হুইলচেয়ার প্রদান কালিয়াকৈরে ইয়াবা বিক্রির সময় মা ছেলেসহ ৪ জন গ্রেফতার পাঁচবিবির ইউএনও প্রশাসনিক কর্মকর্তা অনুপ কুমারকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের একাধিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার – ৫ গাজীপুর ১ আসনের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবিত সভা

মাদ্রাসার হুজুর কর্তৃক ১০ বছরের শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার এক মাদ্রাসায় হুজুর কর্তৃক ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি গত ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ঘটে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজারহাট মডেল প্রেসক্লাবের একটি টিম বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করলে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পায়। চাঞ্চল্যকর এ বলৎকারের ঘটনাকে ঘিরে ওই এলাকায় এখন নানা আলোচনা ও সমালোচনা সহ তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে তদন্তে জানা যায়, রাজারহাট উপজেলার বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামের হাতে ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকারের শিকার হয়। পরে নির্যাতিত শিশুটি মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দিলে মাদ্রাসা পরিচালক হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা) নির্যাতন ও বলাৎকারের বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং নিজে সহ উক্ত প্রতিষ্ঠানের কমিটি তড়িঘড়ি করে রাতের মধ্যে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামকে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় করে দেয়। পরবর্তীতে হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা) তিনিও প্রতিষ্ঠান থেকে রহস্যময় কারণে পদত্যাগ করে চলে যায়।

কিন্তু পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা)ও এর আগে অন্য প্রতিষ্ঠানসহ অত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন। বর্তমানে এ ঘটনায় মাদ্রাসা এলাকায় জল্পনা-কল্পনায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম(১০) রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের বালাকান্দি সরকার পাড়া গ্রামের মোঃ সাহেব আলীর পুত্র। বর্তমানে সে বাড়িতে সুস্থ আছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে নির্যাতিতের পরিবার।

ভুক্তভোগীর পরিবার আরও বলে, এই নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি ফাঁসির দাবি জানায়। যেন দেশে আর কেউ ভয়ে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটাতে না পারে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলাম ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা)’র বিরুদ্ধে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার কিছু রহস্যময় বিবৃতিও রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ