মোঃ- জাকির হোসেন ঃ-
আসছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী মাঠ প্রস্তুতিতে ভোটারদের সরাসরি যোগাযোগ করছেন।
কাউন্সিলর নির্বাচনে জনসেবার সুযোগ পেতে তিনজন প্রার্থী আলোচনায় রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রতিযোগীদের মধ্যে তিনজন প্রকাশ্যে মাঠ প্রস্তুতি নিচ্ছে শোনা যায়। মিজমিজি দক্ষিণ পাড়া, মিজমিজি পশ্চিম পাড়া, কান্দাপাড়া, সাহেব পাড়া,সানাড়পাড় রহিম মার্কেট এলাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে বিএনপি দলীয় দুজন, জামায়াতে ইসলামীর একজনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে।
এবারের প্রতিযোগীদের মধ্যে রয়েছেন,নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুব দলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, নারায়ণ গঞ্জ তরুণ দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুব দলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক , সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি সাবেক সদস্য, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ২ নং ওয়ার্ডের সহ সভাপতি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদলের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও১০১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক প্রতিনিধি, হাজী আব্দুস ছামাদ ইয়াতিম খানা সাবেক উপদেষ্টা, মিজমিজি দক্ষিণ পাড়া তাকওয়া মসজিদে র সহ সভাপতি, মিজমিজি দক্ষিণ পাড়া কিশোর সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইকবাল হোসেন ভেন্ডার ও অপর জন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক দুবারের কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন, এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী মো. জামাল হোসাইন।প্রার্থী হবার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন।বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন ভেন্ডার জানিয়েছেন, ওয়ার্ডবাসীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কাজ করে যাচ্ছি।
স্থানীয়রা এবার আমার উপর ভরসা রাখতে চায়। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও ভুমিদুস্য জনগণ ক্ষমতা দেখতে চায় না। আমি নির্বাচন করে জয়ী হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।
বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন জানান, আমার ওয়ার্ডের ভোটাররা দুবার আমার উপর ভরসা রেখেছেন। জনগণের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। আমি বিশ্বাস করি জনগণ এবারও তাদের প্রমাণ দিবে।
জামায়াতে ইসলামী নেতা মো. জামাল হোসাইন বলেন, আমি নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে, এখন শুধু ঘোষণা দেওয়ার অপেক্ষা।
২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলরদের অপসারণ করে তৎকালীন অন্তবর্তী সরকার। এরপর হতে গুরুত্বপূর্ণ এই ওয়ার্ডটিতে নাগরিক সেবাসহ অন্যান্য সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহন করতে বেশ সমস্যা সৃষ্টি তৈরি হয়েছে। কাউন্সিলরের অবর্তমানে সচিব নিয়োগ দেওয়া হলেও মানুষের ভোগান্তি চরমে পযার্য়ে। তাই আসছে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করার ভাবনায় রয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। এদিকে ওয়ার্ডটিতে ২৩ হাজার ভোটার রয়েছে বলেও জানা গেছে।
Leave a Reply