1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডুমুরিয়ায় নদী ভরাটের টিআরএম এর কোন বিকল্প নেই। ঘ্যাংরাইল নদীর পল্লীশ্রী কলেজ সংলগ্ন কদমতলা খেয়াঘাটে শেষ ভাটিতে নদীর করুন অবস্থা ঘরের চার দেয়াল পেরিয়ে নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক তানোর থানার (ওসি)এস.এম মাসুদ পারভেজের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভক্ত ৭ জন আসামী গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ আইসিপিতে ২৩১.৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ১ ঘামের গন্ধে দূরত্ব, মিছিলে আপন—এই কি রাজনীতির দর্পণ!? মনোহরদী থানা এলাকায় অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা পাঁচবিবি ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ইফতার আমতলীত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারেরপ্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কুড়িগ্রামে প্রাইভেট পড়ানোর সময় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি সাধারণ মানুষের

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাইবান্ধার সাঘাটায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে বেকারি কারখানা। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়াই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারগুলোতে গড়ে উঠেছে বেশিরভাগ বেকারি তথা খাদ্য কারখানা। এসব কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের ভেজাল খাদ্য পণ্য তৈরি করে সেসব দেদারসে বাজারজাত করা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।
সূত্র মতে, অল্প সংখ্যক কারখানা গুলো বিএসটিআই অনুমোদন পেলেও নিরাপদ খাদ্য আইনের ধরাবাধা নিয়ম মানছে না তারা। সরেজমিন ‘ন্যাশনাল ফুডস’ নামের একটি বেকারি খাদ্য তৈরির কারখানায় পরিদর্শনে দেখা যায়, খাবার তৈরির কারিগররা হাতে গ্লাভস পরিধান ব্যতিরেকেই ময়দা ছানছে। এছাড়াও পাউরুটি সমূহ প্যাকেটজাত করে মেঝেতে অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ফেলে রেখেছে। শুধু তাই নয়। কারখানাটির মূল ফটক কিংবা অন্যত্র কোথাও নেই সাইনবোর্ড। কারখানাটির ম্যানেজারের সাথে কথা হলে বলেন, এত নিয়ম মানা সম্ভব না।একইভাবে ‘আল্লাহর দান’ বেকারি কারখানাটি শুধুমাত্র আবেদন করে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীনভাবেই চলছে। সেখানেও একই অবস্থা সাইনবোর্ডবিহীন কারখানা পরিচালনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে চলছে নির্দ্বিধায়। এ কারখানা মালিকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এত কিছু বুঝি না। আমার ছোট ভাই সব কাগজ পাতি সেরে নিচ্ছে।
এছাড়াও উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের কুকড়াহাট ওয়ার্ডের একটি প্রতিষ্ঠান সাঘাটা থেকে জুমারবাড়ি মূল সড়কের সাথেই গড়ে উঠেছে। অথচ কারখানা প্রধান শহীদুল ইসলামের সাথে সরেজমিন কথা হলে বলেন, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেওয়া হয় নি।

উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড় ওয়ার্ডে ২ টি, কুকড়াহাট ওয়ার্ডে ১টি। এছাড়াও বোনারপাড়া ইউনিয়ন, সাঘাটা ইউনিয়ন সহ আরও বেশ কয়েকটি ইউনিয়নেও মিলেছে এসব কারখানা।

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইলতুতমিশ আকন্দ বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া উৎপাদিত খাবার খেলে ডায়রিয়া, আমাশয়, হেপাটাইটিসসহ নানা খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এসব খাবার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ তমাল বলেন, নিয়ম না মেনে খাবার উৎপাদন ও বাজারজাত কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ